একটা ব্যবসা পরিচালনা করতে গেলে একজন সি ই ও’র  অনেক যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রয়োজন হয়। একটা এম বি এ ডিগ্রী বর্তমান জটিল ব্যবসা পরিস্থিতির জন্য হার্ড স্কিল’ সমূহের উপযুক্ত সমন্বয় করতে সক্ষম। 

আমরা যে কোন একটা বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করে পেশাজীবন শুরু করি কিন্তু উপরের দিকে উঠতে উঠতে একটা সময় দেখা যায় একজন ভালো সি এফ ও বা ভালো মার্কেটিং পারসনেল বা যে কোন এক বিভাগের চৌকস  কর্মকর্তা হলেই ব্যবসা পরিচালনা করা যায় না। 

একজন সি ই ও হতে গেলে সব বিষয়ের উপর একটা সলিড ধারণা থাকা দরকার। 

মার্কেটিং, ইকোনমিক্স, ফিনান্স, ল’ ইত্যাদি একজন  সি ই ও হওয়ার অনেক উপাদানের কিছুমাত্র। এ ধরনের ভিত্তি তৈরির বুনিয়াদী শিক্ষা একটা ভালো এম বি এ ডিগ্রী করে নেওয়া যায়। 

মারটিন জি মুর ভালই বলেছেন যে, “এম বি এ ডিগ্রী আমাকে  বুদ্ধিদীপ্ত, পরিভাষাগত তুমুল আলোচনায় একজন প্রখর পেশাজীবী হিসেবে উপাস্থাপন ছাড়া আর কিছুই দেয় নাই। বাকীটা আমাকে শিখতে হয়েছে বাস্তব অবস্থান  থেকে।“

তার লিডারশীপ স্কিল উন্নয়নে কোন অবদানই রাখে নাই এম বি এ ডিগ্রী। 

ক্লাসরুমে লিডারশীপ শেখা যায় না লিডারশীপের ধরণ সমূহের তাত্ত্বিক ধারণা নেওয়া ছাড়া। লিডারশীপ এমন এক  বিষয় যা বাস্তব ক্ষেত্র থেকে শিখতে হয়।

তুমি কোন পজিশনে কাজ করছ এটা বিষয় না, তবে পেশাজীবনে উন্নতি করতে চাইলে  নিয়মিত তোমার যোগ্যতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া দরকার। 

এম বি এ ডিগ্রী নেওয়া ভুল না বরং অনেক তাত্ত্বিক বিষয় জানা ও শেখা যায়। তবে মানুষকে দিয়ে কাজ করায়ে নেওয়া যেহেতু লিডারশীপের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব তাই কখনো মনে করো না যে তোমার একটা ভালো এম বি এ ডিগ্রী আছে সুতরাং তুমি একজন ভালো লিডার বা উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হয়ে যাচ্ছে।

লিডারশীপ ইজ অল এবাউট  মেন্টাল অ্যান্ড সাইকলজিক্যাল ম্যাটার।   

Categories: Career Growth

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published.