পাহাড়ের এক ফার্ম-হাউসে এক ভদ্রলোক যুবক নাতিকে নিয়ে বাস করতেন। প্রতিদিন সকালে ভদ্রলোক কিচেন টেবিলে পবিত্র কোরান রেখে মন দিয়ে মগ্ন হয়ে

ভালো ফসল ফলানোর মারেফত। এক কৃষক ছিলেন যিনি প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরষ্কার পাওয়া উৎকৃষ্ট মানের ফসল উৎপাদন করতেন। একবার এক সংবাদিক এই কৃষকের

হযরত জুনাইদ বাগদাদিকে সূফীতত্ত্ব প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য “সুলতান” উপাধিতে সম্বোধন করা হয়। একদিন জুনায়েদ বাগদাদি মুরিদান সহ বাজারের মধ্য দিয়ে

প্রশ্ন ছিল, আমাদের শরীরের কোন অংশ সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? উত্তর এলো, “শ্রবণেন্দ্রিয় বা কান।“ কারণ শব্দ আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কথা বলা,

সরাসরি ক্লাস সিক্সে ভর্তি হওয়ার জন্য ম্যাট্রিক পাশের পর বাড়ি ছাড়ার সময়  অনূর্ধ্ব পঞ্চদশ  ক্ষীণকায়, খর্বাকৃতির আমাকে বাবা কিছু উপদেশ দিয়েছিলেন। যা

জুম্মা, জামাত ও মাস্ক। পেশাগত কাজ সেরে তাড়াতাড়ি মসজিদে।তিন তলায় জায়গা হোল।বাংলা খুতবা, আরবি খুতবা, সুন্নাত নামাজের পর জুম্মার ফরজ নামাজের কাতারে

দরবেশের কাছে এক ‘অস্থির মারেফাতের পথের পথিক’ এলো সাধনার বাকি জীবন দরবেশের সাথে গুজরান করতে। আগন্তকের চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট সে সামান্যতেই রেগে

একঃ স্বাদেশি আন্দোলনের সময় নজরুল লিখেছিলেন, ” ক্ষুধিত শিশু চায় না স্বরাজ, চায় এক মুঠো ভাত একটু নুন” তেমনই আমাদের অত্যাচারিত, নিগৃহীত,

ছেলেটা কলেজে যাওয়া আসার পথে শো রুমে চমৎকার স্পোর্টস কার দেখতো আর ভাবতো গ্রাজুয়েশান হলেই সম্পন্ন বাবাকে বলবে এই গাড়িটা কিনে দিতে।