এ পোড়ার দেশে অধিকাংশ মানুষকে সারাটা জীবন কি খাবো, কি পরবো ও কোথায় থাকবো এই চিন্তায় বিভোর থেকে ইনিংস ঘোষণা করতে হয়।

Here One has to spend the entire life struggling on what to eat, what to put on and where to shelter!

There is scarce of time to focus on aesthetics and spiritual dimensions of life.

২৫ বছরে মরে ৭৫ বছরে দাফন কাফন হয়। মাঝের ৫০ বছর শুধু বেঁচে থাকার আয়োজন করতে করতেই দম ফুরায়।

আফসোস!! দুর্লভ মানব জনম পেয়েও আমরা এর শৈল্পিক, নান্দনিক, আধ্যাত্মিক দিকে নজর বুলাতে পারি না।

“মন রে কৃষিকাজ জান না |
এমন মানব জনম রইল পতিত, আবাদ করলে ফলত সোনা।”- রামপ্রসাদ সেন

পরিবারের, প্রতিষ্ঠানের, কম্পানীর খরচ পরিমিত রাখার, বাঁচানোর চেষ্টা করো, পরিবার, প্রতিষ্ঠান, কোম্পানিও আনুপাতিক হরে তোমার জন্য সাফল্য ও সৌভাগ্য সঞ্চিত করে রাখবে।

খরচ পরিমিত রাখার চেষ্টার প্রথম ধাপ হচ্ছে যে পরিবারের যে জীবনমান ভোগ করে আমরা বড় হয়েছি সেই জীবনমান অর্জন করে ধরে রাখতে হবে। (যদিও সেই জীবনমান বা লাইফ-স্ট্যান্ডার্ড বাবা মা’র অর্জন, আমাদের না)

নিমের ডাল বা কয়লা বা দেশী কোন টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজার লাইফ-স্ট্যান্ডার্ড থেকে এসে আমি যদি অতীত ভুলে সেনসোডাইন বা কোলগেট ছাড়া দাঁত ব্রাশ করতে নাক সিটকাই তাহলে আমার পরিণাম হা হুতাশ ছাড়া আর কিছুই হওয়ার কথা না।

আচমকা অনেক টাকার চাকরি বা ব্যবসা এলেও ধুম করে লাইফ-স্ট্যান্ডার্ড পরিবর্তন করা ঠিক না কারণ বাঁশী কখন বাঁশ হয় যায় বলা যায় না।

তাই লাইফ-স্ট্যান্ডার্ড ধীরে ধীরে পাল্টানো ও সঞ্চয়ের অভ্যাস করলে, নিজের পায়ের নীচের মাটি শক্ত করলে এক অদৃশ্য অনড় শক্তিতে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়া যাবে।

অসহায়ের মতো সারাজীবন মাথা নত করে হাত কচলাতে হবে না।

এর পরের প্রচেষ্টা হওয়া উচিৎ স্বপ্নের জীবনমানের জন্য নিজেকে তৈরি করা ও তা অর্জন করা।

Categories: Uncategorized

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published.