পেশাজীবনে সফল হতে চাইলে কৃষকের মতো দার্শনিক হওয়া দরকার।

-ফসল মনমতো না হলে কৃষক ফসলের দিকে তাকায়ে চিৎকার করে না। আমরা ফল মনমতো না হলেই চিৎকার করি।

-ফসল দ্রুত না বাড়লে কৃষক ফসলকে দোষারোপ করে না।আমরা অল্পে অস্থির হই।”বউ কস’নে কথা কস’নে, এত অল্পে অধীর হোসনে”-নজরুল। আমরা অল্পে অধীর হই।

-সম্ভাবনাময় চারাটাকে কৃষক উপড়ে ফেলে না। আমরা সম্ভাবনাময়কেও সামান্য গলদে তুড়ি মেরে ছুড়ে ফেলি।

-কৃষক তার জমির জন্য উত্তম বীজ,চারা রোপণ করে। আমরা “ইয়েস স্যার” রোপণ করি। কারণ যাদের মেরুদন্ড শক্ত তারা হাত কচলায় না।

-কৃষক না খেয়ে, ধার করে হলেও ভালো সার ও পানি সেচ করে। আমরা বেতন কাটি।বিল কাটি।

-কৃষক আগাছা একটানে উপড়ায়ে ফেলে। আমরা আগাছাকে চা’র বদলে কফি, রুহআফজা, হুইস্কি খাওয়াই।

-কৃষক বোঝে ভালো আর মন্দ সিজন আছে, সময় আছে।অসময়ের জন্য, প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্য সব সময় কৃষক সচেতন থাকে,সতর্ক থাকে।আমরা এটা বুঝতে চাই না।

কৃষকের যোগানো ভাত খেতে বসে এ কথাগুলো একটু অভিনিবেশ সহকারে ভাবলে পেশাজীবনে অনেক ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।

(যারা এগুলোর বাইরে তাদেরকে লেখাটার দিকে নজর না দিতে অনুরধ করব)

Categories: Uncategorized

0 Comments

Leave a Reply

Avatar placeholder

Your email address will not be published.